1. mushfaqurrahman99@gmail.com : Mushfiqur Rahman : Mushfiqur Rahman
  2. friendstvsyl@gmail.com : Hridoye Sylhet : Hridoye Sylhet
  3. tawhidurrahmanshah@gmail.com : Towhidur Rahman : Towhidur Rahman
  4. info@www.hridoyesylhet.com : হৃদয়ে সিলেট :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পৈতৃক সম্পত্তি দখল, জালিয়াতি ও প্রবাসীদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সিলেটে সংবাদ সম্মেলন অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ হৃদয়ে সিলেট সম্পাদকের বিভিন্ন পূজা মন্ডব পরিদর্শন করল বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ দক্ষিণ সুরমায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা মনসুর আহমদ রুবেলের নগদ অর্থ সহায়তা গোলাপগঞ্জে শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে বাশিস সিলেট জেলা ও মহানগর কমিটির প্রতিবাদ সভা একপাশে আতশবাজির উৎসব, অন্যপাশে নিঃশ্বাসের কঠিন যুদ্ধ… শাহজালাল (রঃ) মাজারে স্বর্ণালঙ্কারসহ আটক ২ নারী চোর শ্রুতি সিলেট রজতজয়ন্তী বর্ষে শুক্রবার ‘শরৎ উৎসব’ কুশিয়ারায় বালু উত্তোলন নিয়ে উত্তেজনা,সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের বাধা ও হুমকি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ‘বেদবার্তা’র মোড়ক উন্মোচন

অর্থ আইন-২০২৬ এর বিধান ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর প্রদানে নিরুৎসাহিত করবে: অধ্যাপক শফিকুর রহমান

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

অর্থ আইন-২০২৬ এ ব্যক্তি করদাতাদের ২০২৬-২০২৭ কর বছরের আয়কর রিটার্নে যেসব বিষয় উল্লেখ বাধ্য করা হয়েছে, তা ব্যক্তি করদাতাকে ক্ষতিগ্রস্ত ও আয়কর দানে নিরুৎসাহিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কর আইনজীবী সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি (বি.টি.এল)-এর সাবেক সহ-সভাপতি ও সিলেট জেলা কর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক শফিকুর রহমান।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার অর্থ আইন-২০২৬ এ ব্যক্তি করদাতাদের ২০২৬-২০২৭ করবছরের আয়কর রিটার্নের সাথে সব ধরনের ব্যবসা ও পেশায় ১% টার্ন ওভার ট্যাক্স দেওয়ার যে বিধান করেছে, তা কোনো সময়ই ছিল না। এই বিধান ব্যক্তি করদাতাদের আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত ও আয়করদানে নিরুৎসাহিত করবে। তাই পূর্বের ন্যায় ৪ কোটি টাকার উপরে ১% করে ট্যাক্স ধার্য করার জোর দাবি জানান তিনি।

নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের বেশিরভাগ ব্যক্তি করদাতা সঞ্চয়পত্রের আয়ের উপর নির্ভরশীল। তাই সঞ্চয়পত্রের উক্ত পরিশোধিত করকে চূড়ান্ত করদায় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। অন্যথায় সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে ব্যক্তিরা হতাশা ও নিরুৎসাহিত হয়ে পড়বে। সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে ১৫% কর রহিত করে পূর্বের চূড়ান্ত করদায় বহাল না রাখলে জমি হস্তান্তর কমে যাবে। এতে করে সরকার বিপুল আর্থিক ক্ষতি সম্মুখীন হবে। আপিল পর্যায়ে ১% কর পরিশোধের বিধানটি রহিত করার আহ্বান জানানো হয়। কারণ কোনো ব্যক্তি করদাতা আপিলে সম্পূর্ণ কর রেহাই পেলে তিনি আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। অংশীদারী ফার্মের আয়কে সব সময় ব্যক্তি করদাতার অনুরূপ ছিল। বর্তমানে অংশীদারের আয়কে প্রস্তাবিত কোম্পানীর করহারের অনুরূপ ঘোষণার সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের ন্যায় ব্যক্তি শ্রেণীর কর হার অনুযায়ী করার জোর দাবি জানানো হয়। ই-রিটার্ন ওয়েবসাইট পরিপূর্ণ কার্যকর করে বর্ধিত সময়ে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অধ্যাপক শফিকুর রহমান একটি উদাহরণের মাধ্যমে সরকারের নতুন কর কাঠামোর অসঙ্গতি তুলে ধরেন।

অর্থ আইন-২০২৬ এর কর মুক্ত আয় ৪,০০,০০০/- টাকা। কিন্তু কর মুক্ত ৪,০০,০০০/- টাকা আয়ের জন্য বিক্রয় হতে হবে ৪০,০০,০০০/- টাকা। ১৫% হারে জিপি (Gross Profit) আসলে দাঁড়ায় ৬,০০,০০০/- টাকা। ১/৩ হিসাবে খরচ ২,০০,০০০/- টাকা বাদ দিলে নিট আয় হয় ৪,০০,০০০/- টাকা, যা নিয়ম অনুযায়ী করমুক্ত আয়।

কিন্তু ২০২৬ এর বিধানে এই করদাতাদের ৪০,০০,০০০/- টাকা বিক্রয়/টার্ন ওভারের জন্য ১% কর হিসেবে ৪০,০০০/- টাকা পরিশোধ করতে হবে। এটি একটি শুভংকরের ফাঁকি। এই স্বল্প আয়ের মানুষেরা কীভাবে কর পরিশোধ করবে? অন্যদিকে আইনে বলা হয়েছে যাদের আয় ৪,০০,০০০/- টাকা তাদের কর দিতে হবে না। এই অসঙ্গতি থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়।

বিবৃতিতে মাননীয় এনবিআর চেয়ারম্যান ও অর্থ মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রান্তিক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর করদাতাদের বিষয়টি সদয় বিবেচনায় রেখে উক্ত নির্দেশনাবলী কার্যকর রহিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। একই সাথে এ ব্যাপারে সকল সংসদ সদস্যবৃন্দ ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহকে সোচ্চার প্রতিবাদ জানানোর জোর দাবি জানানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট