1. mushfaqurrahman99@gmail.com : Mushfiqur Rahman : Mushfiqur Rahman
  2. friendstvsyl@gmail.com : Hridoye Sylhet : Hridoye Sylhet
  3. tawhidurrahmanshah@gmail.com : Towhidur Rahman : Towhidur Rahman
  4. info@www.hridoyesylhet.com : হৃদয়ে সিলেট :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মেজর (অবঃ) আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করিয়াছেন” মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সিলেট বিভাগীয় কমিটির অভিনন্দন জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন সিলেট মহানগর আহ্বায়ক কমিটি গঠিত সুরমায় বালুখেকোদের তাণ্ডব: বিপন্ন তীরবর্তী মানুষ, কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার বিশ্বকাপের ভেন্যু দেখতে সিলেটে আইসিসির প্রতিনিধি দল গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচন সম্পন্ন হৃদরোগে আক্রান্ত প্রবীণ ফটো সাংবাদিক আতাউর রহমান আতা, সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজীতে জোরপূর্বক জায়গা দখলকে কেন্দ্র করার ঘটনায় ধলা মিয়া চেয়ারম্যানের পুত্র সহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে পালটা মামলা ভাইরাল সিলেটি মেয়ে ডা. ওরাকাতুল জান্নাত

মেজর (অবঃ) আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করিয়াছেন”

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

“মেজর (অবঃ) আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করিয়াছেন” এডভোকেট মোঃ আমান উদ্দিন।

২০০৬, ২০০৯ যুক্তরাজ্য এবং ২০১৮ সালে সৌদি আরবে যাওয়া আসার সৌভাগ্য হয়েছিল। যুক্তরাজ্য ভ্রমণ কালে হিত্রো, মানচেষ্টার এবং জেদ্দা বিমানবন্দরে বাংলাদেশী যাত্রীদের আচার—আচরণ ও সভ্যতা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। আমরা কি ভবিষ্যতে সভ্য জাতি হিসেবে বিশাল মর্যাদার অধিকারী হতে যাচ্ছি? ভ্রমন প্রিয় হিসাবে উপরোক্ত দেশ সমূহে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর নিকট জানতে চাইলাম, শ্রমবাজার, শিক্ষা ব্যবস্থা, মূলধারার রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এমনকি স্থানীয় নির্বাচনে মেয়র, কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অনেকে বিজয়ী বা পরাজিত হয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করিতেছেন, তখন আমি আবেগে আপ্লুত হয়ে বলি, আমরা কি ভারতীয় বংশদূত ঋসি সুনাক (সাবেক প্রধানমন্ত্রী) বিশ্বের মানচিত্রে যেভাবে এশিয়ানরা গর্ববোধ করেন ঠিক একদিন আমরাও সেই আসনের অধিকারী হওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর। যুক্তরাজ্য বলেন আর সৌদি আরব বলেন সব দেশেই বাংলাদেশীরা যথাযথ সম্মান অর্জন করে জন্মভূমিকে সম্মানিত করার প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনেক বয়ঃ বৃদ্ধ যুক্তরাজ্যের আমাদের পূর্বপুরুষদের পিছিয়ে থাকা শিক্ষা ব্যবস্থা। তাহারা কর্মস্থলে যাওয়ার পূর্বে ঘরের সামনে পিছনে ইট রেখে যেতেন। এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যে আমাদের জন্মভূমির মধ্যে অধিকাংশ ছিলেন সিলেটি। আর এই সিলেটিরাই সেখান থেকে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম মিছিল মিটিং করে স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে বিশাল ভূমিকা পালন করিয়াছেন। অথচ সিলেটিদের উদ্দেশ্য করে জনাব মৌলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন সাঈদী বলেছিলেন, লাঙ্গল টু লন্ডন এবং স্বাক্ষর দিতে গিয়ে একাধিক কলম ভেঙে যায়। এ বক্তব্যর কারণে তৎকালীন সময়ে অনেক মিছিল মিটিং বা প্রতিবাদ করেছেন সিলেটবাসী। জানিনা মৌলানা সাহেব কোন উদ্দেশ্য সিলেটিদের উদ্দেশ্য এ কথা বলেছিলেন।

 

পূর্বপুরুষদের উত্তরসুরিরা যুক্তরাজ্যের মূলধারার রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা নীতি, শ্রমনীতি, ইত্যাদি ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে গিয়েছেন। ভাবতে অবাক লাগে, মূলধারার রাজনীতিতে একাধিকবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমেঃ রোশনারা আলী, টিউলিপ সিদ্দিকী, রুপা হক, আফছানা বেগম, সহ অগনিত নেতা নির্বাচিত বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিয়াছেন। সদ্য সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরী ও তাহার সহধর্মিনী সপ্না আরা বেগম (বিচারপতি) এসবের অধিকাংশের বাড়ি সিলেটে। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সিলেটের আরেক কৃতি সন্তান হাসিম ক্লার্কের ছেলে হ্যানসন ক্লার্ক যিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির সিনেটর।

অতীতে ইট রাখার মাধ্যমে জীবনযাত্রা শুরু হলেও তাহাদের উত্তরসূরী যুক্ত রাজ্যের মূলধারা রাজনীতি, সমাজনীতি, শিক্ষা—নীতি, ইত্যাদি ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করিতেছেন। বর্তমান প্রজন্মের যথাযথভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাসরতদের অধিকাংশই গ্রেজুয়েশন বা ব্যারিষ্টার, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রফেসর ইত্যাদি পেশায় নিয়োজিত। অগ্রসরমনা জাতি হিসাবে আমি গর্ববোধ করি তাহাদের পারফরম্যান্স দেখে।

হিত্রো বা মানচেষ্টার বা জেদ্দা বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের যাবতীয় নিয়ম—নীতি যাত্রীরা মান্য করিলেন কিন্তু বাংলাদেশে আসার সময় বিমান কতৃর্পক্ষ সবাই কে জানিয়ে দিলেন কিছুক্ষণের মধ্যেই শাহজালাল (রঃ) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করিব। একথা শোনার সাথে সাথে সবাই সিট থেকে দাঁড়িয়ে লাগিজ, ব্রিফকেশ ইত্যাদি টানাটানি শুরু করিলেন বিমানের কর্মচারীদের বাধা সত্বেও। অথ হিত্রো বা মানচেষ্টার জেদ্দা বিমানবন্দরে অবতরণের পূর্বে একইভাবে জানানো হলেও আমরা নিরব থেকে অপেক্ষা করতে থাকি। উল্লেখ করা প্রয়োজন, সেসব দেশে কোন যাত্রী—ই ভিআইপি, সিআইপি কিছুই না খুঁজে ইমিগ্রেশন শেষে তো বাহির হয়ে যান। কিন্তু বাংলাদেশে আসার পর ভিআইপি, সিআইপি ইত্যাদি খুঁজতে খুঁজতে এবং রাজনৈতিক চাটুকাররা পূর্ব থেকে তাহাদের নিয়োজিত এজেন্টের নিকট বড় অংকের টাকা পাঠালেন এবং সেই টাকা দিয়ে এজেন্টরা মোটর সাইকেল বা অন্য কোন যানবাহন নিয়ে সেই যাত্রীকে শোভাযাত্রা করে বাড়ীতে নিয়ে আসলেন। তখন ঐ যাত্রী যদি মানুষ হয়ে থাকত কখন ঐ যাত্রীটি লজ্জিত হয়ে বলতো বিশে^ও কোথাওতো শোভাযাত্রার প্রথা নেই।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৪০ লক্ষ হজ¦ পালন করতে গিয়াছিলেন। ৪০ লক্ষ হজ¦ পালন কারিগণের ইমাম একজন এবং সকলের পরনে ছিল কাফনের কাপড় বা এহরামের কাপড় । সকলে—ই তো কায়মনো বাক্ষ্যা তো এক আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কান্নাকাটি ও জিকির আসকার করে মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করিলেন। আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসী সকল মুসলমানগণ আল্লাহর প্রতি ভয় ও কবরের আজাব থেকে মুক্তি প্রাপ্তির জন্য কান্নাকাটি করিলেন। আমরা সকলকেই তো মাটির নিচে পুতে সমাহিত করা হবে। তবে অনেক ক্ষেত্রে লোক দেখানো অবিশ^াসীরা দৃশ্যমান হাজী খেতাব বা নামের পূর্বে আলহাজ্ব কথাটি লিপিবদ্ধ কেও দুনিয়াবি জীবনে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে থাকেন।

প্রজাতন্ত্রের বেতন ভোগী কর্মচারী খেতাবপ্রাপ্ত, জনাব আখতারুজ্জামান এর আচরণের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাহাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করিয়াছেন। শেখ হাসিনার নিকট থেকে সুবিধা নিয়ে ২০২৪ এর আমি ডামীর পাতানো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হয়েছেন। বিএনপি এর বর্জ্য বর্তমান জামায়াত সদস্য জনাব আখতারুজ্জামান হযরত শাহজালাল (রঃ) এর নাম ও বিমানবন্দরে তাহার আচরণের কারনে বাংলাদেশের সাধারন মানুষ লজ্জিত। প্রকৃত ধর্মপ্রাণ কোন মুসলমান এ ধরনের পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে কারো সহিত অশোভন আচরণ করতে পারে না। শুধু তাহাকে ধিক্কার জানানো ছাড়া অন্য কোন ভাষা জানা নেই। জনাব আখতারুজ্জামান এর বয়স অনুমান ৭৫/৭৬ বৎসর হতে পারে। সুতরাং দেশ জাতি তাহার নিকট থেকে কিছুই আশা করার সময় নেই। অতীতের কর্মকালীন সময়টি প্রজাতন্ত্রের অর্থে পরিচালিত হয়েছেন। উল্লেখ করা প্রয়োজন, যদিও বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করিয়াছেন, জামাতের ভাইদের বলবো একটু তাহার অতীত বক্তব্যেগুলো (জামাত নিয়ে) দেখে নেওয়ার জন্য। অতীথ কর্মকান্ডের জন্য যদি মূল্যায়ন করেন তাহলে আপনি আমি নির্ধিদায় এক বাক্য বলতে পারি জনাব আখতারুজ্জামান খাঁটি একজন মুনাফিক। আর মুনাফিক কখনো বেহেস্ত দাবী করতে পারেন না। প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশ্য বলতে চাই, তথাকথিত শাসনামলে বিমানবন্দরে যে অব্যবস্থাপনা ছিল বা আছে তাহার সহিত একমত। কিন্তু জনাব আখতারুজ্জামান সাধারন মানুষের পক্ষে এই উদ্ভট আচরণটি করেননি বিমানবন্দরে। তাহার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখলে বুঝা যায়। যদিও বিভিন্ন দল গোষ্ঠী তাহার আচরণ কে প্রবাসী ভাইদের স্বার্থে করিয়াছেন এই মর্মে প্রচারণা করে এই দাপ্পাবাজকে হিরো বানানোর চেষ্টা করিতেছেন যাহা মোটেও কাম্য নহে। আখতারুজ্জামান কি কখনো তাহার জীবনে কোন একটি ফোরামে প্রতিবাদ করেছেন বিমানের অব্যবস্থাপনা নিয়ে? কখনো বলেননি। জামাতি ভাইদেরকে বলি, মাত্র কয়দিন জামাতে যোগদানের হয়েছে । তাহার অপকর্মের দায় না নিয়ে আমার স্বজন প্রজাতন্ত্রেও সম্মানিত কর্মকর্তাদের সাথে যে আচরন করেছেন তাহার ভিডিও ফুটেজ দেখেন এবং তাহার আলোকে দলীয়ভাবে দুঃখ প্রকাশ করা সমীচিন বলে মনে করি। পূর্বে পাসপোর্ট ছিল হাতের লেখা আর বর্তমানে ডিজিটাল, বিমানবন্দরের সার্ভিস ও তো অনেকাংশে ডিজিটাল। বিমান কর্তৃপক্ষকে বলতে চাই, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সেবার মান বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের আস্তা ও ভালোবাসা অর্জন করুন। সরকারকে বলতে চাই, জনাব আখতারুজ্জামানের আচরণে বিমানবন্দরের কর্তৃপক্ষের যে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে তাহার জন্য তাহাকে প্রচলিত আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করুন। রেমিট্যান্স যুদ্ধারা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করিতে মরিয়া তখন আখতারুজ্জামানের মত কিছু উচ্ছিষ্ট ও পথভ্রষ্ট লোকদের দ্বারা এমন কোন কাজ হউক জাতি কিন্তু মেনে নিবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট