1. friendstvsyl@gmail.com : Hridoye Sylhet : Hridoye Sylhet
  2. tawhidurrahmanshah@gmail.com : Towhidur Rahman : Towhidur Rahman
  3. info@www.hridoyesylhet.com : হৃদয়ে সিলেট :
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খোজারখলা এলাকার প্রভাব খাটিয়ে মজনু’র ‘মাদক সাম্রাজ্য’ সিলেট সিটি নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে সম্ভাবনার হিসাব-নিকাশ সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে সীরাতুন্নবী (সা.) কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ‘দাপ্তরিক চেয়ারে জনপ্রতিনিধি বসতে পারেন? রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য প্রটোকল ও দায়িত্ববোধ’ সিলেট রেড ক্রিসেন্টের ‘মডেল ব্রাঞ্চ ইনিশিয়েটিভস’-এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন জয় দুর্গা সংঘের কার্যকরী কমিটি গঠন শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কয়েস লোদী, মিফতাহ সিদ্দিকী ও ইমদাদ চৌধুরীর সাথে পুজা উদযাপন কমিটির মতবিনিময় প্রয়াত সি আর দত্ত বীর উত্তম ও রঞ্জন কর্মকারের স্মরণে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জেলা ও মহানগর শাখার স্মরণ সভা শাহজালাল উপশহর হাই স্কুলে এসএসসি মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে তৈয়মুন নেছা ফাউন্ডেশনের বৃত্তি প্রদান অডিট এন্ড একাউন্টস পেনশনার’স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগের অভিষেক সম্পন্ন

খোজারখলা এলাকার প্রভাব খাটিয়ে মজনু’র ‘মাদক সাম্রাজ্য’

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

অঢেল অর্থ ও বাহন উপহারে বেপরোয়া অপকর্ম

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের খোজারখলা এলাকায় প্রভাব ও অর্থের জোরে অপরাধের বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন মজনু নামে এক ব্যক্তি। খোজারখলাসহ দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও বার্তা প্রকাশের পরও অদৃশ্য কারণে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন এই চক্রের মূল হোতা।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য মতে, খোজারখলা এলাকার দাপট দেখিয়ে মজনু দক্ষিণ সুরমার ক্রীন ব্রিজ, ভার্থখলার বেজবাড়ি, কুমিল্লা পট্টি, জিঞ্জর শাহ মাজার এলাকা, কাশবন, তেতলী বাইপাস এবং হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী চত্বর থেকে চণ্ডীপুল বাইপাস পর্যন্ত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বিস্তার করেছেন। এই অঞ্চলের মাদক ব্যবসা, জুয়ার আসর ও অসামাজিক কার্যকলাপ সরাসরি তাঁর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, অবৈধ ব্যবসা নির্বিঘ্নে চালাতে মজনু ‘ম্যানেজ’ নীতি প্রয়োগে বেশ পারদর্শী। খোজারখলা এলাকার প্রভাব নিশ্চিত করতে তিনি স্থানীয় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সাতজনকে মোটরসাইকেল এবং একজনকে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি (কার) প্রদান করেছেন। এর পাশাপাশি তাঁদের প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট অঙ্কের মোটা টাকা মাসোহারা দেওয়া হয়, যার বিনিময়ে এলাকায় তাঁকে প্রকাশ্যে অপরাধ পরিচালনার সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে গত ৫ আগস্টের পর থেকে অবৈধ উপায়ে কয়েক কোটি টাকা আয় করেছেন মজনু। বিপুল অর্থ উপার্জনের পর তিনি কানাডায় চলে গিয়েছিলেন। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ টাকার অবৈধ আয়ের সুযোগ হাতছাড়া না করতেই তিনি সম্প্রতি কানাডা ছেড়ে পুনরায় সিলেটে ফিরে আসেন এবং পুরোনো সিন্ডিকেট সক্রিয় করেন।

খোজারখলার পরিচয় ব্যবহার করে পুরো দক্ষিণ সুরমার জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ী ও অসামাজিক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করায় ক্ষুব্ধ এলাকার সাধারণ বাসিন্দারা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্থানীয় এক যুবক ভিডিও প্রকাশ করে মজনুর অবৈধ অর্থ লেনদেন এবং স্থানীয়দের মাঝে যানবাহন বিতরণের বিষদ বিবরণ তুলে ধরেন।

একাধিক অভিযোগ থাকার পরও পুলিশ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় দক্ষিণ সুরমাজুড়ে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে মজনুর অপরাধ সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দিয়ে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট