1. friendstvsyl@gmail.com : Hridoye Sylhet : Hridoye Sylhet
  2. tawhidurrahmanshah@gmail.com : Towhidur Rahman : Towhidur Rahman
  3. info@www.hridoyesylhet.com : হৃদয়ে সিলেট :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৫৪ বছর পরেও ওসমানীকে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দেয়া হয়নি ‘স্বাধীনতা পদক’ পুবালী ব্যাংকের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস মদিনা মার্কেট’ ক্যাম্পেইন শুরু হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট জালালাবাদ থানার ৪১ সদস্যের কমিটি গঠন সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ পর্তুগাল শাখার মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত স্কলার্সহোম মেজরটিলা কলেজে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের বর্ণিল বর্ষাবরণ অনুষ্ঠিত ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করা দিয়া ইবনাত একজন আদর্শ মানুষ হতে চান সিলেটে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারি যুবলীগ নেতা খুকু ও তার সহযোগীসহ জেল হাজতে প্রেরণ সিলেটে স্কুলছাত্র রিফাত হত্যার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ পর্তুগাল শাখা’র আলোচনা ও পরিচিতি সভা ১৬ আগস্ট সফল করুন সিএনজি ফিলিং স্টেশন এন্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগের সংবর্ধনা ও জরুরি সভা

৫৪ বছর পরেও ওসমানীকে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দেয়া হয়নি ‘স্বাধীনতা পদক’

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আগামী ১লা সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল (অব:) এম এ জি ওসমানীর ১০৮ তম জন্মবার্ষিকী। এই বীর মুক্তিযোদ্ধ্রা জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ, সিলেট বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করে ওইদিন কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। এছাড়া তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে জানিয়েছেন সংগঠনের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আহমদ বহলুল জানান, ওসমানীকে যথাযোগ্য সম্মান দিয়ে দেশ ও জাতির জন্য তাঁর অবদান স্বীকার করতে হবে। তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কারণে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক প্রদানসহ ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দিন যায়, মাস যায়, বছরের পর বছর যায়, দেখতে দেখতে চলে গেল প্রায় ৫৪টি বছর। তারপরেও মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর ওসমানীর ভাগ্যে জোটেনি স্বাধীনতার পদক। এ দাবী করেছেন বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ, সিলেট।

সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আহমদ বহলুল আর ও জানান, মহান এই বীর সেনানীকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশ ও জাতির জন্য বঙ্গবীর ওসমানী নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। সামাজিক ক্ষেত্রেও তাঁর অনেক অবদান রয়েছে। জীবন বাজি রেখে দেশ, জাতি ও দেশের মানুষের জন্য যুদ্ধ করেছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়নি।

এই স্বাধীনতা পদকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১১ দফা দাবী নিয়ে প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীসহ ১৯ জন সংসদ সদস্যের নিকট আবেদন করেছে সংগঠনটি। সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আহমদ বহলুল বলেন, সম্প্রতি ডাং জাফর উল্লাহকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়েছে। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বঙ্গবীর এম, এ, জি ওসমানীকেও মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।

সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ আহমদ বহলুল জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ অবদান রাখার জন্য স্বাধীনতা পদক প্রদান বিধান শিথিল করে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীকে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মান ‘স্বাধীনতা’ পদক (মরণোত্তর) ভূষিত করা হোক। বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী জীবন বাজি রেখে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের জন্য বাংলা রণ এবং নৃত্য সঙ্গীত নির্ধারণ করেন। যার জন্য তাকে পাকিস্তানিদের রোষানলে পড়তে হয়। তার এই অবদানের জন্য তাঁকে মহান একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হোক।

১৯৫১ ইংরেজিতে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত “চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট” নামের সঙ্গে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নাম সংযোজন করে “চট্টগ্রাম বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী ক্যান্টনমেন্ট” নামকরণ করা হোক এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট সেনানিবাসসমূহের যে কোন একটিতে সি.ইন.সি বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী আর্মি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হোক। সিলেটস্থ ওসমানী জাদুঘরের মূল স্থাপনা ঠিক রেখে আধুনিক জাদুঘরের মিলনায়তনসহ কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হোক। মহান মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য দেশবাসী কর্তৃক প্রদত্ত উপাধী ‘বঙ্গবীর একান্তই ওসমানীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের সিদ্দিকী (বাঘা কাদের সিদ্দিকী) বীর উত্তম’ নামের পূর্বে ব্যবহৃত ‘বঙ্গবীর’ উপাধি বাতিল করা হোক। ২৫ মার্চ ১৯৭১ পাক হানাদার বাহিনীর বাঙালিদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মোকাবেলায় প্রতিরোধ যুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী সামরিক কর্মকর্তাদের অনুষ্ঠিত ‘৪ঠা এপ্রিল ১৯৭১’ বৈঠকে কর্নেল পরবর্তীতে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর সর্বাধিনায়কত্বে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ৪ঠা এপ্রিল ১৯৭১-কে স্মরণীয় করে রাখতে “তেলিয়াপাড়া দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হোক।

সংগঠনটির দাবি, বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর কর্মময় জীবনী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হোক এবং বঙ্গবীর ওসমানীর লেখা ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় খরচে প্রকাশের ব্যবস্থা করা হোক। মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সি.ইন.সি (সর্বাধিনায়ক), বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হোক। বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নামে প্রতিষ্ঠিত ওসমানী আন্তর্জাতিক সিলেট বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু করা হোক।

এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেট, ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তন ঢাকা, ওসমানী উদ্যান ঢাকা ও ওসমানী পৌর স্টেডিয়াম চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জসমূহ স্থাপনার আধুনিকায়নসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিষ্ঠিত স্থাপনাসমূহের রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং সমূহ স্থাপনার পূর্বে “বঙ্গবীর” শব্দ সংযোজন করা হোক। ঢাকাস্থ ওসমানী উদ্যানকে অবৈধ দখলমুক্ত করে আধুনিক উদ্যানে রূপান্তরিত ও ওসমানী মিলনায়তনকে আধুনিক করা হোক। ওসমানী নগর উপজেলাস্থ দয়ামীরে প্রতিষ্ঠিত মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী গণগ্রন্থাগার, স্মৃতি জাদুঘর ও দাতব্য চিকিৎসালয়টি অবিলম্বে চালু করা হোক। বঙ্গবীর ওসমানীর জন্মস্থান সুনামগঞ্জে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী স্মরণে মিলনায়তন নির্মাণ এবং যে কোন একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণ বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নামে করা হোক।

বঙ্গবীর ওসমানীকে স্বাধীনতার পদক দেয়ার পাশাপাশি তাঁর বিভিন্ন অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঠ্য বইয়ে ওসমানীর জীবনী ও কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে “বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ সিলেট”-এর নেতৃবৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট