1. friendstvsyl@gmail.com : Hridoye Sylhet : Hridoye Sylhet
  2. tawhidurrahmanshah@gmail.com : Towhidur Rahman : Towhidur Rahman
  3. info@www.hridoyesylhet.com : হৃদয়ে সিলেট :
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত কওমি মাদরাসায় অযাচিত হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের অনুরোধ সিলেট জেলা পরিষদ প্রশাসকের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ ও বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান জকিগঞ্জে শ্রমিক দলের নাম ভাঙিয়ে প্রবাসীর ওপর হামলা, বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট আলাল আহমদ কে আহ্বায়ক, এম এ মতিন কে সদস্য সচিব করে আমরা জুলাই যোদ্ধা কমিটির অনুমোদন সিলেটে বিদেশে পাঠানোর নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ, কারাগারে ভূয়া ডিজিএফআই নাহিদুজ্জামান ছাতকে ২৬৬ কোটি টাকার সড়ক উন্নয়ন কাজস্থল পরিদর্শনে কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি সিলেট ষ্টেশন ক্লাব লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট শাহরুখ আহমদ শাক্কুর দায়িত্ব গ্রহণ ‎অপহরণের ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার হয়নি সাকিব হাজী কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি গোলাম মাহমুদ আজম

কওমি মাদরাসায় অযাচিত হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের অনুরোধ

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

কওমি মাদরাসা স্থাপনের নীতিমালা প্রণয়ন এবং দেশের সকল হাফেজিয়া মাদরাসার জন্য একটি পৃথক কেন্দ্রীয় বোর্ড গঠনের সরকারি উদ্যোগকে প্রচলিত কওমি মাদরাসা আইনের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক ও স্বকীয়তা বিরোধী বলে উল্লেখ করেছে ‘কওমি মাদরাসা শিক্ষক পরিষদ’। পবিত্র কুরআন শিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারের এ ধরণের অযাচিত হস্তক্ষেপে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এই সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম।

গত ৯ জুলাই (২০২৬ ইং) কওমি মাদরাসা শিক্ষক পরিষদের এক জরুরি সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এই প্রতিক্রিয়া ও দাবি জানান। পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী (পীর সাহেব দেওনা)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন— সহ-সভাপতি মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী, সহ-সভাপতি মাওলানা আলী আজম, মহাসচিব মাওলানা মুস্তাকিম বিল্লাহ হামিদী, যুগ্ম-মহাসচিব মেরাজুল হক মাজহারী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি দ্বীন মুহাম্মদ আশরাফ প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ জানান, জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬-এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক কওমি মাদরাসা স্থাপনের নীতিমালা প্রণয়ন ও পৃথক হাফেজিয়া বোর্ড গঠনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (মাদ্রাসা-০২) জনাব মো: রাহাত খান স্বাক্ষরিত পত্রে গত ৯ জুলাই বিকাল ৩টায় এক সভা আহ্বান করা হয়েছিল। উক্ত সভায় কওমি মাদরাসাসমূহের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান, কো-চেয়ারম্যান এবং এর অধীন ৬টি বোর্ডের প্রধানগণ অংশগ্রহণ করতে সরাসরি অসম্মতি প্রকাশ করেছেন।

ওলামায়ে কেরাম বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে দারুল উলুম দেওবন্দের অনুসৃত মূলনীতির আলোকে কওমি মাদরাসাসমূহ সম্পূর্ণ সরকারি অনুদান থেকে মুক্ত থেকে মক্তব থেকে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত মোট ১৪টি শ্রেণি বিন্যাসের মাধ্যমে এ বিশাল দ্বীনি খেদমত আঞ্জাম দিয়ে আসছে। বিশেষ করে, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়া কওমি মাদরাসা আইনের (৪৮ নং আইন) ২-এর (ঙ) ও (চ) ধারা অনুযায়ী কওমি মাদরাসার স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আইন দ্বারা সুরক্ষিত।

তারা আরও বলেন, বিধিবদ্ধ আইন অনুযায়ী কওমি মাদরাসা ও এর অবিচ্ছেদ্য শাখা হেফজখানাকে সমন্বিত নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে বেফাকসহ ৬টি বোর্ডের সমন্বয়ে সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ ‘আল-হাইআতুল উলয়া’ গঠিত রয়েছে। এই বিদ্যমান আইনি কাঠামো থাকার পর আলাদা কোনো হাফেজিয়া বোর্ড গঠন করার কোনো প্রয়োজন নেই।

শিক্ষক পরিষদের নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আকস্মিকভাবে কওমি মাদরাসা স্থাপনের নীতিমালা ও পৃথক বোর্ড গঠনের এই উদ্যোগ ২০১৮ সালের মূল আইনটি সংশোধনের অজুহাতে বাতিল করার একটি সুগভীর চক্রান্ত। দেশে একটি ইসলামবিদ্বেষী মহল দ্বীনি শিক্ষার প্রসার ঠেকাতে নতুন নীতিমালার মাধ্যমে এমন কিছু কঠিন শর্ত জুড়ে দেওয়ার অপকৌশল করছে, যা দ্বীনি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাকে বাধাগ্রস্ত করবে। একই সাথে, হিফজ শিক্ষার সাথে বাংলা, অংক, ইংরেজির মতো অন্যান্য বিষয় অতিরিক্ত পাঠ্যসূচিতে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হলে হেফজ শিক্ষার ধারাবাহিকতা দারুণভাবে বিঘ্নিত হবে এবং ছাত্ররা হেফজ সম্পন্ন করতে পারবে না।

তবে প্রাইভেট কিছু হেফজখানা সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের দ্বীনি শিক্ষা দেওয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে পরিষদ সুপারিশ করে যে, এ শ্রেণীর প্রাইভেট মাদরাসাসমূহকে অবশ্যই স্বীকৃত যেকোনো বোর্ডের অধীনে একীভূত হতে হবে। বেফাকসহ অন্যান্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ সে সকল হেফজখানাকে নিজস্ব নিয়ন্ত্রণে আনার জোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

সবশেষে, কওমি মাদরাসা শিক্ষক পরিষদ বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে ঐতিহ্যবাহী ধারাবাহিক কুরআন শিক্ষাকে শৃঙ্খলিত করার এই সিদ্ধান্ত থেকে অবিলম্বে বিরত থাকার এবং যেকোনো ধরণের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ ও জোর দাবি জানিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট