‘টেকনোলজি, জাস্টিস এবং ইনস্টিটিউশনাল রেজিলিয়েন্স ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ -এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে শেষ হয়েছে দুইদিনব্যাপী ন্যাশনাল ইন্টারডিসিপ্লিনারি কনফারেন্স অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস-২০২৬ (NICSDG-2026)।
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটি (MURS)- এর আয়োজনে শুক্র ও শনিবার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনটি জাতীয় পর্যায়ে একটি অনন্য একাডেমিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। সম্মেলনের সকল গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ নিয়ে "Book of Abstract of NICSDG-2026" প্রকাশ করা হয়েছে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট একাডেমিক ও গবেষক, মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. সাইদুর রহমান।
এছাড়াও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আহমেদ সায়েম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মোহাম্মদ ইশরাত ইবনে ইসমাইল, রেজিস্ট্রার খন্দকার মকসুদ আহমেদ, কনভেনার মো. জিয়াউর রহমান, কো-কনভেনার মো. আমজাদ হোসেন ও মো. শাদমান শাকিব, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকমÐলী উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম দিন ‘রিসার্চ কলোকিয়াম’-এ মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গবেষক প্রফেসর ড. সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, আজকের তরুণ মেধাবীরা যেভাবে গবেষণা সম্মেলনের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে, তা দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশের গবেষণার ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল। এই আগ্রহ, এই অনুসন্ধিৎসা এবং এই নিষ্ঠাই একদিন বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক গবেষণার মানচিত্রে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
বিরতি শেষে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম দিনের প্যারালেল সেশন। এই সেশনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা তাঁদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। গবেষণার বিষয়বস্তু, উপস্থাপনার মান এবং অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ সম্মেলনকে একটি প্রাণবন্ত একাডেমিক আয়োজনে পরিণত করে।
দ্বিতীয় দিনেও রেজিস্ট্রেশন ও কিট সংগ্রহের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। ওই দিন দ্বিতীয় রিসার্চ কলোকিয়ামে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক ও একাডেমিক ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মো. মামুন হাবিব।
তিনি জানান, তিনি জীবনে ১০০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু এই প্রথমবারের মতো তিনি এমন একটি সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন, যা শিক্ষকদের দিকনির্দেশনায়; এবং সম্পূর্ণরূপে শিক্ষার্থীদের দ্বারা আয়োজিত। তিনি বলেন, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি আজ প্রমাণ করেছে যে শিক্ষার্থীরাও বিশ্বমানের একাডেমিক আয়োজন করতে সক্ষম।
দ্বিতীয় রিসার্চ কলোকিয়ামের পর অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় দিনের প্যারালেল সেশন, যেখানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা তাঁদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। বিরতি শেষে শুরু হয় তৃতীয় রিসার্চ কলোকিয়াম, যেখানে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. সায়েম। তাঁর বক্তব্যও সম্মেলনে একটি নতুন মাত্রা যোগ করে।
বিরতি শেষে শুরু হয় সমাপনী অনুষ্ঠান। সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মো. মামুন হাবিব, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি'র ট্রেজারার প্রফেসর মো. তাহের বিল্লাল খলিফা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সৈয়দ নাকিব সাদী, কনভেনার মো. জিয়াউর রহমান, কো-কনভেনার মো. আমজাদ হোসেন ও মো. শাদমান শাকিব, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকরা। এই পর্বে সম্মেলনের সেরা গবেষকদের 'বেস্ট প্রেজেন্টার অ্যাওয়ার্ড' প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, এই সাফল্যের নেপথ্যে অসামান্য অবদান ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইমেরিটাস ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরী।
সম্পাদক ও প্রকাশক : রুবেল আহমদ
উপদেষ্টা : আব্দুর রশিদ (কমিউনিটি নেতা ফ্রান্স প্রবাসী)।
আইন উপদেষ্টা : এড: আনোয়ার হোসেন, এডিশনাল পিপি, জজ কোট - সিলেট, এড: মামুন আহমদ রিপন, এডিশনাল পিপি, জজ কোট, সিলেট।
বার্তা সম্পাদক : মুশফাকুর রহমান।
অফিস : ১৭ নং সিটি বাণিজ্যিক ভবন, বন্দর বাজার সিলেট।
যোগাযোগ : 01716-220310
ইমেইল - hridoyesylhetnews@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত